পেঁয়াজের দাম অর্ধেক নেছে !

বাংলা রিপোর্ট :নতুন পেঁয়াজ বাজারে আসতে শুরু করায় এবং ভারত থেকে আমদানির শঙ্কায় ব্যবসায়ীদের গুদামজাত করা পেঁয়াজ বাজারে ছেড়ে দেয়ায় হুহু করে কমতে শুরু করেছে দাম।

গত কয়েকদিনের ব্যবধানে মণ প্রতি পেঁয়াজের দাম কমেছে ৮০০ থেকে ১৫০০ টাকা পর্যন্ত। স্থানীয় পর্যায়ে খুচরা বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকায়।

দেশের অন্যতম পেঁয়াজ উৎপাদন এলাকা পাবনা। রোজা শুরু হওয়ার আগেও সেখানে প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম ছিল ১০০ টাকা। পাঁচ দিনের ব্যবধানে এই পেঁয়াজের দাম অর্ধেকে নেমে এসেছে।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, কৃষকের বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় দামও চলে এসেছে মানুষের নাগালের মধ্যে।

দেশের সবচেয়ে বেশি পেঁয়াজ উৎপাদন হওয়া ফরিদপুরের চিত্রও একই। মানভেদে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৪৫ টাকায়।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ভারত থেকে আমদানির খবরে অসাধু ব্যবসায়ীরা মজুত করা পেঁয়াজ বাজারে ছাড়তে শুরু করেছে। তাই দাম কমছে। তবে ব্যবসায়ীরা বলছেন, দাম কমে যাওয়ায় তাদের লোকসান গুনতে হচ্ছে।

তবে গত সপ্তাহের তুলনায় ফরিদপুরের বাজারে পেঁয়াজের দাম প্রতি কেজিতে দুই থেকে তিন টাকা বেড়েছে। পাইকারি বাজারে প্রকার বেঁধে ৪৮ থেকে ৫২ টাকা প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে, যা খুচরা বাজারে ৫৫ থেকে ৬০ টাকায়।মঙ্গলবার ফরিদপুরের বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজ পাইকারি বাজারে ৪৫ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছিলো, আর খুচরা বাজারে দাম ছিলো ৫০ থেকে ৫৫ টাকায়।

এদিকে দেড় সপ্তাহের ব্যবধানে দিনাজপুরের হিলির বাজারেও প্রকার ভেদে ৯০ থেকে ১০০ টাকা কেজির পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকায়। পেঁয়াজের দাম কমে যাওয়ায় খুশি ক্রেতারা।

সুনামগঞ্জে ৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে দেশি পেঁয়াজ। দাম কমে আসায় খানিকটা স্বস্তিতে সেখানকার মানুষ। ঢাকা  বুধবার, ২০ মার্চ ২০২৪, ৬ চৈত্র ১৪৩০.