নীতিমালা ছাড়াই দেশে চিকিৎসা বিজ্ঞানে মানবকঙ্কাল ব্যবহার

বাংলা রিপোর্ট : নীতিমালা ছাড়াই দেশে চিকিৎসা বিজ্ঞান পড়াশোনায় মানবকঙ্কাল ব্যবহার হচ্ছে। কৃত্তিম মানবদেহ নিয়ে পড়াশোনার সুযোগ না থাকায় শিক্ষার্থীদের অবৈধ উপায়ে উচ্চমূল্যে মানবকঙ্কাল সংগ্রহ করতে হয়।

চিকিৎসক হওয়ার প্রথম ধাপ শুরু হয় কঙ্কালের পরিচিতি দিয়ে। মেডিকেল কলেজের প্রতিটি শিক্ষার্থীকে পড়াশোনার জন্য সংগ্রহে রাখতে হয় বোনস বা কঙ্কাল; যা সঙ্গে নিয়েই কাটে মেডিকেল জীবনের প্রথম দেড় বছর।

দেশের ১০৯টি সরকারি-বেসরকারি মেডিকেল কলেজে প্রতিবছর ১০ হাজার ৬০০ নতুন শিক্ষার্থী যোগ হয়। যাদের জন্য গড়ে আড়াই হাজার নতুন কঙ্কাল প্রয়োজন। অথচ, দেশে কঙ্কাল পাওয়ার বৈধ পথ নেই। কাঠখড় পেরিয়ে শিক্ষার্থীদের ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকায় এক একটি কঙ্কাল সংগ্রহ করতে হয়।

বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজের অ্যানাটমি বিভাগের প্রধান প্রফেসর ডা. এম এ রশিদ মনে করেন, কঙ্কাল সংগ্রহের বিড়ম্বনা এড়াতে কৃত্তিম বোনস দিয়ে পড়াশোনার সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে।

তিনি বলেন, আমি অরিজিনাল কঙ্কাল কেনার পক্ষে না। কৃত্তিম কঙ্কাল অনেক ভালো পাওয়া যায়। সেটা দিয়ে পড়াশোনা করলেই হবে।

এদিকে এ বিষয়ে নীতিমালা তৈরির জন্য মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষদের নিয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের সঙ্গে বৈঠকের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন। ২১ নভেম্বর ২০২১. rtv