চীন-অ্যাঙ্গোলা রাষ্ট্রপ্রধানের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক

শুয়েই ফেই ফেই: ১৫ মার্চ বিকালে বেইজিংয়ে গণ-মহাভবনে অ্যাঙ্গোলা প্রজাতন্ত্রের প্রেসিডেন্ট জোয়াও ম্যানুয়েল গনসালভেস লরেনসো চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং-এর সঙ্গে বৈঠক করেছেন। এতে দুই রাষ্ট্রপ্রধান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে সার্বিক কৌশলগত সহযোগিতামূলক অংশীদারি সম্পর্কে উন্নীত করার ঘোষণা করেছেন।

সি চিন পিং উল্লেখ করেন যে, গত বছর চীন ও অ্যাঙ্গোলা কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার ৪০তম বার্ষিকী উদযাপন করেছে। দু’দেশের সহযোগিতা হল, দক্ষিণ-দক্ষিণ সহযোগিতা এবং উন্নয়নশীল দেশের মধ্যে সহযোগিতা। চীন অ্যাঙ্গোলার সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও উন্নয়নের স্বার্থ রক্ষায় সমর্থন জানায়, অ্যাঙ্গোলার সঙ্গে দেশ প্রশাসনের অভিজ্ঞতা বিনিময় করা, দ্বিপক্ষীয় কৌশলগত সম্পর্ক বাড়ানো এবং নিজ দেশের আধুনিকায়ন জোরদার করতে চায়।

সি চিন পিং আরো বলেন, দু’দেশের উচিত উচ্চ মানের ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড’ সহযোগিতা বেগবান করা, গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো প্রকল্প বাস্তবায়ন করা, যোগ্য চীনা প্রতিষ্ঠানকে অ্যাঙ্গোলায় বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করতে উৎসাহ দেওয়া। অ্যাঙ্গোলার কৃষির আধুনিকায়ন ও শিল্পায়নে সাহায্য দিতে চায় চীন। তিনি আশা করেন, অ্যাঙ্গোলা চীনা নাগরিক এবং প্রতিষ্ঠানের স্বার্থ রক্ষায় আরো শক্তিশালী ব্যবস্থা নেবে। চীন অ্যাঙ্গোলাকে ‘চীন আন্তর্জাতিক আমদানি মেলাসহ’ বিভিন্ন মঞ্চে অংশগ্রহণে স্বাগত জানায়। চীন অব্যাহতভাবে অ্যাঙ্গোলার শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দেবে, দু’দেশের মানুষ ও সাংস্কৃতিক বিনিময় বেগবান করবে।

জবাবে অ্যাঙ্গোলার প্রেসিডেন্ট জোয়াও ম্যানুয়েল গনসালভেস লরেনসো বলেন, চীনের সমর্থন ও সহযোগিতায় তাঁর দেশে ব্যাপকভাবে অবকাঠামো নির্মাণ এবং আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন জোরদার হয়েছে। অ্যাঙ্গোলা দৃঢ়ভাবে এক চীন নীতি মেনে চলে, তাইওয়ান চীনের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। তিনি বিশ্বাস করেন তাইওয়ান সমস্যা নিশ্চয়ই সমাধান হবে। তাঁর দেশ চীনের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরো উন্নত করতে চায়।
সূত্র: চায়না মিডিয়া গ্রুপ।